নায্যমূল্যে সরকারি উদ্যোগে ভোগ্যপণ্য বিক্রির উদ্যোগও তেমন সচল নয়— সারাদেশে ৩ হাজারের বেশি ডিলার থাকলেও রোজার ৭ম দিনেও পণ্য বুঝে পাননি টিসিবির বেশিরভাগ ডিলার বলে জানা গেছে।
রাজধানীতে ২৮টি স্থানে খোলা ট্রাকে ৫টি খাদ্যপণ্য বিক্রি করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত নয় বলে মত ভোক্তাদের। আর টিসিবির এসব পণ্য বিক্রয়ে বাজারে কোনো প্রভাব পড়েছে কিনা এমন প্রশ্নে ভিন্নমত রয়েছে বিক্রেতাদের।
সাধারণ মানুষের কাছে তুলনামূলক কম দামে ৫টি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করার উদ্দেশ্যে সারাদেশে প্রায় তিন হাজার ১৮ জন ডিলার নিয়োগ দিয়েছে টিসিবি।
তবে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো তো দূরের কথা রোজার ৭ম দিনেও বেশিরভাগ জায়গাতেই ডিলাররাই এখনো পণ্য বরাদ্দ পাননি। একারণেই রাজধানীর বেশিরভাগ বাজার ঘুরে টিসিবির কোনো ডিলারকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। টিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দুইএক দিনের মধ্যেই ডিলাররা পণ্য বুঝে পাবেন।
টিসিবির দাবি খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম মোটামুটি ঠিকভাবেই চলচ্ছে। রাজধানীতে ২৮টিসহ সারাদেশে ১৭৭টি ট্রাকে পণ্য বিক্রি চালু রেখেছে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি।
সাশ্রয়ীমূল্যে ছোলা, মসুরের ডাল, চিনি, সয়াবিন, খেজুর পেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন ভোক্তারা। তবে অন্যান্যবার টিসিবির পণ্যের মান নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তুষ্টি থাকলেও এবারে পণ্যের মান নিয়ে তারা মোটামুটি সন্তুষ্ট।
তবে আগের তুলনায় এবার রমজানে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়নি টিসিবির বিক্রিত ৫টি পণ্যের বাজারমূল্য।