ভারত-পাকিস্তানের পর এবার পেঁয়াজ আসছে চীন থেকেও। দু-একদিনের মধ্যে দাম আরও কমে আসার আশা করছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।
পাশাপাশি পাইকারি বাজারে দেশি-বিদেশি সব ধরনের আদা-রসুনের দামও কমেছে উল্লেখযোগ্যহারে। তবে এর প্রভাব নেই খুচরা বাজারে।
পাইকারি থেকে খুচরা বাজারে দামের প্রার্থ্যক্য এখনো ৩০% বেশি। এ কারণে সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা।
বাজারে পেঁয়াজের অভাব নেই। দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি ভারত ও পাকিস্তান থেকে বিপুল পরিমাণে আমদানির ফলে পাইকারি আড়তগুলোতে এখন পেঁয়াজ রাখার জায়গা মেলা ভার। সেইসঙ্গে চীন থেকেও পেঁয়াজ আনা হচ্ছে। দু-একদিনের মধ্যেই যা বাজারে আসতে পারে। আর এ পেঁয়াজ বাজারে ঢুকলে আরেক দফা কমতে পারে দাম।
আমদানি বেড়ে গেছে আদা-রসুনেরও। যে কারণে দামও কমে এসেছে কিছুটা। কিন্তু পাইকারি বাজারে কমলেও ভোক্তারা এখনো এর সুফল এখনো পাচ্ছেন না। শুক্রবার রাজধানীর শ্যামবাজারে প্রতি কেজি ইন্দোনেশিয় আদা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১০৫ টাকা আর চায়না আদা ছিল ১৪০ থেকে দেড়শ টাকা। কিন্তু খুচরা বাজারে ঢুকেই এর দাম হচ্ছে ১৬০ থেকে দুইশ টাকা। একইভাবে ৫৫ থেকে ৬০ টাকার চায়না রসুন খুচরা বাজারে ৮০-৯০ টাকা, এবং ২৮-৩০ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকায়। কোনো কোনো পণ্য পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে দামের তফাৎ ৩০ শতাংশেরও ওপরে।
এদিকে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার তদারকি টিম নিয়মিতই বাজার পরিদর্শন করছেন। তদারকির ফলে অনেক পণ্যের দাম কিছুটা কমে এসেছে বলে দাবি তাদের। তবে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের যে বিস্তর ফারাক এ বিষয়ে তাদের যেন কিছুই করার নেই।