বেসরকারি খাতে সাড়ে ১৬% ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরে চলতি বছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার ব্যাংকটির সম্মেলন কক্ষে এ মুদ্রানীতির ঘোষণা করা হয়।
একে মুল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রবৃদ্ধি সহায়ক মুদ্রানীতি বলে দাবি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর পাশাপাশি তফসীলী ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত নগদ জমার স্থিতি-সিআরআর আগের ৬% থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৬% ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যংকের গর্ভনর আতিউর রহমান বলেন, এটি যেমন মুল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে, তেমনি বিনিয়োগ বান্ধবও। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা আগের বছরের মতোই সাড়ে ১৬%। যদিও আগে অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। সাড়ে ১৬% লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ১৪% ধরা হয়েছে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে। আর আড়াই শতাংশ আসবে বৈদেশিক ঋণ।
আর এ মুদ্রানীতি রিজার্ভ মুদ্রা এবং ব্যাপক মুদ্রার প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে সাড়ে ১৫% ও ১৬% ধরা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক দাবি, শেয়ার বাজারের জন্যও এ মুদ্রানীতিতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। মুদ্রানীতিতে সরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপণ ১২.৯% করা হয়েছে।
গেল মুদ্রানীতির গুরত্বপূর্ণ কয়েকটি সূচকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রক্ষেপণ সঠিক না হলেও, কলমানি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক সফল ছিল।
এছাড়া, আগের মুদ্রানীতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই ঘোষণা করা হলো চলতি মেয়াদের মুদ্রানীতি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষায় এটি সতর্কতামূলক।