দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মা সেতু থেকে সরে যাওয়া ঠিক হয়নি বলে মনে করছে বিশ্ব ব্যাংক বরং এর সঙ্গে থেকেই দুর্নীতিকে মোকাবেলা করা উচিৎ ছিল বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে এ সংস্থাটি।
কান্ট্রি অ্যাসিসট্যান্স স্ট্র্যাটেজিক প্রগ্রেজ রিপোর্ট নামে সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের এ সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তাদের এ রিপোর্টকে স্বাগত জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের এ বোধোদয়ের ফলে উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলো লাভবান হবে।
দুর্নীতির অভিযোগে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু থেকে বিশ্বব্যাংক সরে যাওয়ার পরে, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ প্রকল্পটি নিয়ে দেশে বিদেশে আলোচন-সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন থেকে সরে আসার পর, বাংলাদেশও পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংককে না বলে দেয়।
বাংলাদেশ বিশ্ব ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি ইউহানেস জাট বলেন, ‘বাংলাদেশ যেভাবে চেয়েছিল সেভাবেই পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করা সম্ভব ছিল না। তবে বামরা চাই এ প্রল্পটি বাস্তবায়ন হোক। আমরা বাংলাদেশে উন্নয়নের সঙ্গে সব সময় রয়েছি এবং সব সময় থাকবো।’
বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত কান্ট্রি অ্যাসিসট্যান্স স্ট্র্যাটেজিক প্রগ্রেজ রিপোর্টে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতু থেকে তাদের এভাবে সরে আসা উচিৎ হয়নি। পদ্মা সেতুর সঙ্গে থেকেই অন্য কৌশলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা যেতো বলে রিপোর্টতে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্বব্যাংকের এ প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, এতে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়শীল দেশগুলো লাভবান হবে। এরপর কোনো অর্থায়ন বাতিল করার আগে আন্তর্জাতিক এ ঋণদাতা সংস্থাটি ভাববে।
অর্থমন্ত্রীর দাবি, বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন বাতিল করলেও সময়ক্ষেপণ ছাড়া দেশের কোনো আর্থিক ক্ষতি হয়নি।