অনিশ্চয়তার মুখে তোবা গ্রুপের প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক-কর্মচারির ভাগ্য। চরম আর্থিক সংকটের পাশাপাশি তাদের সামনে এখন চাকরি হারানোর ভয়।
বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারী ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন-বিজিএমইএতে পাওনা বেতন নিতে আশা শ্রমিকরা বুঝতে পারছেন না তাদের সামনে কি অপেক্ষা করছে।
তোবার কারখানাগুলো আবার চালু হবে কিনা, কিংম্বা চালু হলেও ওইসব শ্রমিকদের কাজের সুযোগ থাকবে কিনা এ নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না কেউই।
তবে শ্রমিক নেতারা বলেন, তোবা গ্রুপ বন্ধ করে দেয়া হলে শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের অতিরিক্ত তিন মাসের বেতন দিতে হবে।
তিন মাস পেরিয়ে চতুর্থ মাস চলছে। এর মধ্যে বেতন, ঈদ বোনাস, ওভার টাইমভাতা কোনোটাই জোটেনি।
অনেক দেন-দরবার আন্দোলন-অনশনের পর দু-মাসের বেতন পান তারা। কিন্তু তাতেও মুখে তাদের হাসি নেই। তিন মাসের বাসা ভাড়া বাকি। বাকির অংক মোটা হয়েছে পাশের মুদি দোকানে জমেছে ঋণের পাহাড়।
বাকি বেতন পাবে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। নিশ্চয়তা নেই কাজেরও। তাই সামনের এ অনিশ্চিত জীবনের শংকায় প্রায় রক্তশূন্য চেহারা খেটে খাওয়া ওইসব মানুষের।
কিন্তু যাদের শ্রমেঘামে শিল্প মালিকদের এতো বিত্ত তাদের প্রতি কি মালিকদের কোনো দায়িত্বই নেই? এ প্রশ্নে বিজিএমইএ সভাপতির উত্তরটাও ঘোলাটে।
তবে শ্রমিক নেতারা বলেন, কারখানা আবার উৎপাদনে গেলে ওইসব শ্রমিকদেরই কাজে রাখতে হবে। আর না চললে মালিকপক্ষ তিন মাসের বেতন দিতে বাধ্য।
তবে আইন থাকলেও তার বাস্তবায়ন কতটা হবে অতীত অভিজ্ঞতায় তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।