পাট শিল্পকে বাঁচাতে হলে দক্ষ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি প্রয়োজন নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন –জানান কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
বেসরকারি খাতে এ শিল্পকে ছেড়ে না দিয়ে সরকারিভাবে এককালীন বিনিয়োগ করলে বন্ধ পাট কলগুলোকে আবারো চালু করা সম্ভব হবে বলেও অভিমত বৈঠকে আগত বিশিষ্টজনদের।
বাংলাদেশে বর্তমানে পাট কলের সংখ্যা ২৭টি। এর মধ্যে চারটি বাদে ২৩টি কারখানা চালু রয়েছে। এ কারখানাগুলোও চলছে ধুকে ধুকে। এ খাতে ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লোকসানের পরিমাণ ছিল গড়ে ২০৫ কোটি টাকা। আর ২০১৩-১৪ অর্থবছরে লোকসান হয়েছে প্রায় ৪৫২ কোটি টাকা। অবনতি হয়েছে রপ্তানির ক্ষেত্রেও। বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন-বিজেএমএ'র মতে গত দু'বছরে এ খাতে রপ্তানি আয় কমেছে ৫৪%।
পাট শিল্পের এ দুরাবস্থার জন্য সরকারের অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করেন গোলাম রহমান।
বৈঠকে তিনি বলেন, দেশে পাটজাত পণ্যের ব্যবহারের আইন থাকলেও তা কোনো ক্ষেত্রেই মানা হচ্ছে না।
এ সময় পাট শিল্পের জন্য একটি নীতিমালা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না বলে মনে করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
এর বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মেনন বলেন, ‘ম্যানেজমেন্ট সমস্যা তাহলে ম্যানেজমেন্টে নীতিগত যা সমস্যা তা আমি মনে করি। ম্যানেজমেন্ট তো বটেই নীতি বাস্তবায়ন ক্ষেত্রে ম্যানেজমেন্ট সেখানে থাকবে। ম্যানেজমেন্টের জায়গায় যদি শুল্কমুক্ত না করতে পারে এটা অস্বাভাবিক হবে না তা তে কোনো সন্দেহ নেই।’