কার্যকর মুদ্রানীতি প্রণয়ন এবং ব্যাংকিং খাতকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসাকে বিগত ৫ বছরের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১০-১৪ সময়ের কৌশলগত পরিকল্পনার ফলাফল এবং নতুন কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন নিয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ সব বিষয় তুলে ধরা হয়।
আর এ মাসেই ২০১৫-১৯ সময়ের জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নে ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের উপর বিশেষ গুরত্ব দেওয়া হবে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
২০০৯ সালে ২০১০-১৪ সময়ের বাংলাদেশ ব্যাংকের কৌশগত পরিকল্পনায় দেশের অর্থবাজার স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি গুরত্ব দেয়া হয় ব্যাংকিং খাতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারকে। সময়ের পালাবদলে অর্থবাজার কখনো স্থিতিশীল আবার কখনো ছিল অস্থিতিশীল।
তবে ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাইলেজেশন কী পরিমাণে বেড়েছে তা ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।
এতো সব অর্জনের পরও সমালোচনাও কম হয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংককের ভূমিকা নিয়ে।
গভর্নর এ সময়ের অর্থবাজারকে বেশ সুশৃঙ্খল এবং স্থিতিশীল দাবি করলেও, সোনালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংকসহ রাষ্ট্রয়াত্ব ব্যাংকগুলোর আর্থিক জালিয়াতি, এ দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তবে আগামী পরিকল্পনায় এসব জালিয়াতি ঠেকানোর বিষয়টি বিশেষ গুরত্ব পাচ্ছে বলে জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দাবি সৃজনশীল মুদ্রানীতি এবং তাদের কার্যকর কর্ম-উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়েছে।