দুর্নীতিবাজ ও জালিয়াতদের বাদ দিয়ে সৎ, দক্ষ ও পেশাজীবীদের রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে নিয়োগ দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
সোমবার বিকেলে ফাইনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।
সোনালী, জনতা ও অগ্রণী- রাষ্ট্রায়াত্ত এ তিনটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্রাহক ভোগান্তির অভিযোগ সবচেয়ে বেশি বলে উঠে এসছে প্রতিবেদনে।
গ্রাহকদের এসব অভিযোগ নিষ্পত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেয়া নির্দেশনা এসব ব্যাংক আমলে নেয় না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
রাষ্ট্রায়াত্ত, তফসিলি ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে গ্রাহক ভোগান্তি নিয়ে ২০১১ সাল থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রায় ১১ হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে।
ফাইনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেসের প্রকাশিত প্রতিবেদনে সবচচেয়ে বেশি ২৯১টি অভিযোগ জমা পড়ে সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। এদিক দিয়ে ২য় ও ৩য় অবস্থানে থাকা জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা যথাক্রমে ১৮৬ ও ১৮৫টি। চতুর্থ অবস্থানে থাকা ইসলামি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৫২টি ও ৫ম অবস্থানে প্রাইম ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ে ১৪৬টি। বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিযোগ, রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ব্যাংকগুলো এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ আমলে নেয় না।
অদক্ষ, দুর্নীতিবাজ পরিচালনা পর্ষদকেই পরোক্ষভাবে দায়ী করে, ড. আতিউর জালিয়াত ও দুর্নীতিবাজদের বাদ দিয়ে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠনে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১১ হাজার অভিযোগের মধ্যে, ১০ হাজার ৮০৫ টি অভিযোগই নিষ্পত্তি করা হয়েছে।