চলতি অর্থবছরে দেশে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৪% আর মূল্যস্ফীতি নেমে আসবে সাড়ে ৬% এ পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি।
বৃহস্পিতবার সকালে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় এডিবি।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ঠিক থাকলে অর্থনীতির বেশিরভাগ সূচকেই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হবে বলে মনে করছে এডিবি। তবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার আশংকা এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের মন্দা অবস্থাকে দুশ্চিন্তার কারণ হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক এ দাতা সংস্থাটি।
জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়বে, মুল্যস্ফীতি কমবে। এডিবির এমন পুর্বাভাস দিয়েছে, অনেকগুলো 'যদি' কে সামনে রেখে।
বাংলাদেশ ব্যাংক যদি সতর্কতামূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখে দাম বাড়িয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুতে ভর্তুকি কমায় এবং সে অর্থ অবকাঠামো ও মানব সম্পদ উন্নয়নে ব্যয় করে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে। আর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে তাহলে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার মধ্যে শ্রীলঙ্কার পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
এডিবির হিসেবে সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছর শিল্পে প্রবৃদ্ধি হবে ৯.২%। কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ৩.৩% থেকে বেড়ে সাড়ে ৩% হবে। সেবা খাতের প্রবৃদ্ধিও ৬ কাছাকাছি যাবে।
অন্যদিকে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমাগত জ্বালানি তেল ও খাদ্য দ্রব্যের মুল্য কমতে থাকায় মুল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সঙ্গে বেশ কিছু সতর্কবার্তাও দিয়েছে এডিবি।
সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বেসরকারি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।