কোরবানির ঈদের পরপরই আবাসিক খাতে গ্যাসের দাম সর্বোচ্চ ১২২.২২% বাড়ানোর সবুজ সংকেত দিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই মধ্যে গ্যাসের দাম পুনর্নির্ধারণ করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিআরসি) কাছে প্রস্তাব দিবে পেট্রোবাংলা।
গ্যাসের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পেট্রোবাংলা সেবার মানও বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, বাসাবাড়িতে গ্যাসের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। দুই চুলার ক্ষেত্রে গ্যাসের বর্তমান দাম সাড়ে ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার কথা বলা হয়েছে। দাম বাড়বে প্রায় ১২২.২২%। এক চুলার ক্ষেত্রে বাড়তে পারে প্রায় ১১৩%।
যারা মিটার ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার ঘনফুট গ্যাস ১৪৬ টাকা ২৫ পয়সা থেকে ২৩৫ টাকা হতে পারে।
আবাসিকের পর সবচেয়ে বেশি বাড়বে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে। এ খাতে বাড়তে পারে প্রায় ১০৩%। সিএনজিতে ৩৩%, শিল্পে ৩২.৬০%, বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ৩০.৫৫%, চা বাগানে ২০.৫৫%।
২০০৯ সালের পর আবার মাঝে দীর্ঘ বিরতির কারণে এবার একবারেই দাম বাড়ানো হচ্ছে দ্বিগুণের চেয়েও বেশি।
এদিকে, সবচেয়ে কম বাড়ছে বিদ্যুৎ খাতে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি এক হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম ৭৯ টাকা ৮২ পয়সা। এটা হচ্ছে ৮৪ টাকা।
আর সার উৎপাদনে ৯.৭১% বেড়ে প্রতি এক হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম হতে পারে ৮০ টাকা।