বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে মৌসুমী ব্যবসায়ী ও ফরিয়ারা চামড়া কিনছেন বেশি দামে। তাই পাইকারি ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তারা নির্ধারিত দামের বেশি দেবেন না। তবে একদিনের কারবারে, বেশ ভাল লাভ করছেন বিভিন্ন পাড়া-মড়ল্লার ছোট ছোট অপেশাদার ব্যবসায়ী চক্র।
তারা পাড়া-মহল্লা থেকে কোরবানির পশুর চামড়া কিনছেন অনেক কম দামে আর বিক্রি করছেন অনেক চড়া দামে। এতে চামড়ার মূল মালিকরা যেমন প্রকৃত দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তেমনি ক্ষতির আশংকায় পড়েছে মোসুমী ব্যবসায়ী আর ফড়িয়ারাও।
দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত এলাকা এখন রাজধানীর পোস্তা। দুপুরের পর থেকেই চামড়া এসে জমা হতে শুরু করেছে, এখানকারা আরতগুলোতে।
আগামী দুই-তিন দিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে কোরবানির পশুর চামড়া আসবে। তবে পাইকারি ব্যবসায়ীদের আশংকা, ফড়িয়া ও মৌসুমী ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনে এবার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। কারণ চামড়া সংশ্লিষ্ট ব্যবসয়ীদের সংগঠনগুলোর বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে তারা বেশি দামে চামড়া কিনছেন।
তবে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেশিদামে চামড়া কিনলেও, নায্য দাম পাচ্ছেন না চামড়ার প্রকৃত মালিকরা। পাড়া মহল্লার অপেশাদার ব্যবসায়ীদের কাছে অনেকটা বাধ্য হয়েই, বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে কম দামেই বিক্রি করছেন তারা।
রাজধানীর এইসব পাড়া-মহল্লা থেকে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করে, অপেশাদের ব্যবসায়ীরা নিয়ে আসছেন বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে। সেখান অপেক্ষামান ফড়িয়া ও মৌসুমী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনেক দরকষাকষি করে, চামড়া বিক্রি করছেন, বেশ চড়া দামেই।
আবার এসব যায়গায় যাদের বনছে না, তারা চলে আসছেন রাজধানীর মিনি পাইকারি বাজার সায়েন্স ল্যাবে। এখানেই চামড়া কিনতে, অপেক্ষা করছে, ট্যানারি মালিকদের এজেন্ট ও আড়তদাররা।
চামড়ার সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, দাম কমে আসবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তখন দাম সমন্বয় করার একটা সুযোগ থাকবে বলে তারা আশা করছেন।