বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে অনেক বেশি দাম দিয়েও লালবাগ পোস্তার কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা চামড়া পাচ্ছেন না। তাদের দাবি, গেল বারের চেয়ে প্রায় অর্ধেক কোরবানির পশুর চামড়া পেয়েছেন তারা। এর জন্য তারা দুষছেন ট্যানারি মালিকদেরকে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের কম দাম বেঁধে দিয়ে, ট্যানারি মালিকরা বেশি দামে চামড়া কিনেছেন। এর পাশাপাশি পার্শবর্তী দেশ ভারতে চামড়া পাচারের আশংকাও করছি।
অন্যান্য বছর ঈদের এ সময়টাতে লালবাগ পোস্তার এই জায়গাগুলোতে চামড়ার কারণে, পা ফেলার জায়গা থাকে না। তবে এবার এ এলাকা প্রায় ফাঁকা।
যদিও এবার ১০% বেশি চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছিল। সে লক্ষ্যমাত্রা পুরণ তো হয়নিই, বরং গেল বারের চেয়ে অর্ধেক চামড়া নিয়েই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।
কিন্তু কেন এ হাল?
পোস্তার ব্যবসায়ীরা বলছেন, চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো বাজার দরের চেয়ে, অনেক কম দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল। যার কারণে পোস্তায় চামড়া আসেনি। এ সুযোগে ট্যানারি মালিকরা নিজেদের এজেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করেছেন।
এদিকে, একে তো দাম কম, অন্যদিকে বাংলাদেশি পশুর চামড়া বিপুল চাহিদা আছে ভারতে। এ সুযোগে, পাচার হওয়ার আশংকাও করছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেশি গরমের কারণে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় লবণ দিয়ে কিছু চামড়া সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। ২/১ দিনের মধ্যে এসব চামড়া ঢাকায় আসবে।