যে উদ্দেশ্য নিয়ে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রুপ (এলডিসি) গঠন হয়েছিল তা ব্যর্থ হয়েছে—এ মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ১২টি স্বল্পোন্নত দেশ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার তিন দিনব্যাপী আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এ বিষয়ে উন্নত দেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে সহযোগিতার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তাও বাস্তবায়ন হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ অবস্থার উত্তরণে তাই স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য বাড়ানোর পরামর্শ দেন অর্থমন্ত্রী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং উন্নত দেশগুলোর সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে এসক্যাপের উন্নয়ন বিভাগের ইনচার্জ আইনুল হাসান বলেন, মানব সম্পদ উন্নয়ন, মাথাপিছু জাতীয় আয়, আর্থিক সক্ষমতায় এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ইআরডি সচিব বলেন, মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণে যে তিনটি সূচককে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় তার প্রত্যেকটিতেই লক্ষের কাছাকাছি রয়েছে বাংলাদেশ।
ইস্তাম্বুল ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে অর্ধেক সংখ্যক মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার কথা। সে লক্ষ্য অর্জনে এসব দেশের বর্তমান অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় ঠিক করতে এ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
স্বল্পোন্নত ১২টি দেশের নীতি নির্ধারকদের এ সভা আগামী তিন দিন চলবে। মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরের জন্য বৈঠক থেকে গুরত্বপুর্ণ দিক নির্দেশনা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং আর্থিক সংকট মোকাবেলায় এক টেবিলে বসেছে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ভূটান, নেপাল, কম্বোডিয়া এবং মিয়ানমারসহ এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১২টি দেশ। সঙ্গে আছে উন্নয়ন সহযোগীদেশ চীন এবং জাতিসংঘের এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন এসক্যাপ এবং জাতিসংঘের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ-ডি.ই.এস.এ।