আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া সম্ভব হবে না— এ জন্য কমপক্ষে এক দশক সময়ের প্রয়োজন।
স্বল্পোন্নত দেশ নিয়ে অ্যাঙ্কটাডের সবশেষ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিমত দিয়েছে বেসরকারি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর ডায়ালগ-সিপিডি।
অ্যাঙ্কটাডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশগুলো অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে উন্নতি করলেও মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার জন্য তা যথেষ্ট নয়। তবে স্বল্পোন্নত ৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অগ্রগতির চিত্র তুলনামূলক ভাল বলেও এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১২ সালে নির্ধারিত সূচক অনুযায়ী, স্বল্পোন্নত ৪৮টি দেশ কতটা উন্নয়ন করতে পেরেছে তার উপর নির্ভর করে আগামী বছর নির্ধারণ করা হবে কারা মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হচ্ছে।
সে চিত্র অনুযায়ী নির্ধারিত তিনটি সূচকের মাত্র একটিতে বাংলাদেশ সাময়িকভাবে লক্ষ্য পুরণ করতে সক্ষম হয়েছে। মধ্যম আয়ে পরিণত হতে ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মাথাপিঁছু আয় হতে হবে ১২৪২ ডলার। বর্তমানে মাথাপিঁছু আয় ১১৯০ ডলার। অর্থনৈতিক নাজুকতা সূচকে ৩২ দশমিক চার থেকে কমিয়ে ৩২ এ নিয়ে আসতে হবে। আর মানব উন্নয়ন সূচকে ৫৪ দশমিক সাত থেকে বাড়িয়ে ৬৬তে উন্নীত করতে হবে
বলে জানান সিপিডির ফেলো ও নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান।
২০১৫ সালের পর আবার এসব সূচক নতুন করে নির্ধারণ করা হবে। মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার জন্য প্রতিটি সূচকের লক্ষ্যমাত্রাই সেখানে বেড়ে যাবে। আর এই বাড়তি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ হওয়া কঠিন হবে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।