দেশের প্রায় নয় কোটি মানুষই এখন ব্যাংকের মত আনুষ্ঠানিক মাধ্যমের সহযোগিতায় নিয়ে লেনদেন করছেন আর রাজধানীর ৭৬% রিকসাওয়ালাই বাড়িতে টাকা পাঠাতে ব্যবহার করছেন মোবাইল ব্যাংকিং বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
শনিবার সকালে দারিদ্র বিমোচন ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
সব শ্রেণী পেশার মানুষকে আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে লেনদেনের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা গেলে অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে বলে মনে করেন তিনি।
গভর্নর বলেন, সব শ্রেণী পেশার মানুষকে অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক শাখায় অন্তর্ভুক্তির মধ্যদিয়ে আগামীতে গুণগতভাবেই দেশের প্রবৃদ্ধি বাড়বে।
এ সময়, দেশের দারিদ্র বিমোচনে সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মসূচি বাড়াতে ব্যবসাহিদের প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
আলোচনায় অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন, ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগে বিপুল সংখ্যক দরিদ্র কৃষককে অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক শাখায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
পাশাপাশি স্কুল ব্যাংকিং, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মাধ্যমে এ খাতের সাফল্য তুলে ধরেন এ ব্যাংকার।
অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও দারিদ্র বিমোচন নিয়ে সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, এসআর এশিয়ার আন্তর্জাতিক পরিচালক বিরেন্দ্র রাতুরি। প্রবন্ধে তুলে ধরা হয় বিশ্বব্যাংকের দেয়া বিভিন্ন তথ্য। এতে বলা হয় বিশ্বে অনেক দেশের সঙ্গে তাল মিলয়ে বাংলদেশেরও বাড়ছে লেন-দেনের জন্য অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের ব্যবহার। যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালি করা কাজে।