অদূর ভবিষ্যতে তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বের এক নম্বর ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সম্ভব— তবে এজন্য পোশাক শিল্প মালিক এবং শ্রমিকদের পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা।
সোমবার রাজধানীতে অ্যাপারেল সামিটের দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি। এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়, কারখানার কর্মপরিবেশ ও শ্রমিক নিরাপত্তার বিষয়টি।
বিল্ডিং ও অগ্নিনিরাপত্তায় গত দেড় বছরের অগ্রগতির প্রশংসা করলেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আরো কাজ করতে হবে বলে মনে করেন মজিনা।
বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তিতে পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৫০ বিলিয়ন ডলার। এ লক্ষ্য অর্জনে কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে শিল্প মালিক, শ্রমিক প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন এবং ক্রেতাদের নিয়ে ধারাবাহিকভাবে চলছে আলোচনা-পর্যালোচনা।
বিশ্বের এক নম্বর ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া আর ৫০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই অ্যাপারেল সামিট থেকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন মজিনা।
সাভারের রানা প্লাজা ধস এবং তাজরীন ফ্যাশনসে অগ্নিকাণ্ডের পর গত দেড় বছরে কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা এবং শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে, সবার সম্মিলিত পদক্ষেপ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।
একই সঙ্গে ৫০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিল্প সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি শ্রমিকদের ক্ষোভ প্রশমনে মালিক-শ্রমিকদের দূরত্ব কমানোর তাগিদও দেয়া হয়।
রানা প্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশনসের দুর্ঘটনা বাংলাদেশের জন্য একটি শিক্ষা হিসেবে দেখছেন পোশাক শিল্প মালিকরা। আর এ শিক্ষা কাজে লাগিয়েই লক্ষ্য অর্জন করতে চান তারা।