বাংলাদেশের সঙ্গে শুল্কমুক্ত অবাধ বাণিজ্য চুক্তি করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন— একই সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার হয়ে খুনমিং পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনেও দুদেশ একমত হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক।
রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো, তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠে আসে।
সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে দুদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ২০১৫ সালে দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০ বছর উদযাপন নিয়েও আলোচনা হয়।
এ সময় দুদেশের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য চুক্তি-এফটিএতে আগ্রহ প্রকাশ করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলে জানান তিনি।
বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রসচিব আরো জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারের রামু হয়ে কুনমিং পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেললাইন স্থাপনের বিষয়ে একমত হয়েছে দুদেশ। এ বিষয়ে শিগগিরই পাশের দেশ মিয়ানমারের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।
চীন ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের বিষয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। এছাড়া বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার-বিসিআইএম অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
চলতি বছরের জুনে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকালে দুদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যিক চুক্তিগুলোর পর্যালোচনা হয় বৈঠকে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর আমন্ত্রণে শনিবার সন্ধ্যায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ঈ।