পাইকারী পর্যায়ে আরেক দফা বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম— ইউনিট প্রতি পাইকারি দাম ৫.১৬% বাড়ানোর সুপারিশ করেছে এনার্জি রেগুলেটারি কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। মঙ্গলবার রাজধানীর টিসিবি ভবনে অনুষ্ঠিত গণশুনানীতে এ সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ সকল পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ শুনানি চলবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর ওপর বিচার-বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। দাম বাড়ালে তা কার্যকর হবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে।
এদিকে, এরইমধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে কমিশনের বাইরে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-বিপিডিবি ১৮.১২% অর্থাৎ ইউনিট প্রতি ২৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ।
এ সরকারের গত মেয়াদে ছয় দফায় পাইকারী পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ২ টাকা ৩৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়। সবশেষ দাম বাড়ানো হয়েছিল ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে।
পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী পরিকল্পনা ও গবেষক মিজানুর রহমান বলেন, চলতি অর্থবছরে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ হবে ইউনিট প্রতি ৬ টাকা ৫৪ পয়সা। উৎপাদন খরচের সঙ্গে ভুর্তুকি কমাতে নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন।
তাদের প্রস্তাবে পাইকারী পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৮. ১২% বাড়িয়ে অর্থাৎ প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৫১ পয়সা করার কথা বলা হয়।
এদিকে, বাংলাদেশ রেগুলেটরি কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি (বিইআরসি) পাইকারী বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫. ১৬% বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৫০ ভাগেরও বেশি কমলেও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন কেন? এ প্রশ্নের জবাবে কমিশনের সদস্য সেলিম মাহমুদ জানান সব বিষয় পর্যালোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।