সারাদেশের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনা টানা হরতাল-অবরোধে নাজুক হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় ৬০% পণ্য সরবরাহ কমেছে কারওয়ান বাজারের পাইকারি আরতেই। পাশাপাশি পাইকার না থাকায় কমে গেছে বিক্রিও।
এ অবস্থা চলতে থাকলে পথে বসতে হবে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের। এদিকে, পাইকারি বাজারে দাম কম হলেও খুচরা বাজারে শাকসবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।
আরতদারদের দাবি, স্বাভাবিক সময়ে প্রতি দিনে গড়ে ৫ লাখ টাকার লেনদেন হলেও এখন তা নেমে এসেছে দুই লাখেরও নিচে। আবার হরতাল-অবরোধের কারণে আরতে ঢাকার বাইরের পাইকারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বিক্রি হচ্ছে সব পণ্য, আরতে পঁচে নষ্ট হচ্ছে তা।
তবে খুচরা বাজারে চিত্র আবার ভিন্ন। ট্র্যাক থেকে নেমে কয়েক গজ দুরে খুচরা বাজারে এসব সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ।
ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সবার প্রশ্ন আর কতদিন চলবে এ অস্থিরতা। কবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে নিত্য পণ্যের বাজার।
এদিকে, মেহেরপুর থেকে কারওয়ান বাজারে ৩ হাজার ৮০০ পিস ফুলকপি নিয়ে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইকবাল কৃষকের কাছ থেকে প্রতি পিস ফুলকপি কিনেছেন ৪ টাকা করে, প্রতি পিসের পরিবহন ব্যয় পড়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা আর অন্যান্য খরচ ৩ হাজার টাকা।
সব মিলিয়ে প্রতি পিস ফুলকপিতে তারা ব্যয় হয়েছে ১০ টাকার ওপরে। কিন্তু বিক্রি করছেন মাত্র চার টাকা দরে।