রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাসহ কয়েকটি কারণে আবাসন খাতে কমেছে নতুন প্রকল্পের সংখ্যা। সঙ্গে সঙ্গে কমে আসছে এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয়। রাজউকের হিসেবে, গত বছর নকশা অনুমোদনের সংখ্যা কমেছে প্রায় ২০০।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরের হিসাবে ২০১৪ সালে আগের বছরের চেয়ে এ খাতে সরকারের রাজস্ব কমেছে প্রায় ৬২৭ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এ পরিমাণ আরও কমার আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্যাপক আবাসন সংকটেও বছরের পর বছর খালি পড়ে আছে, এসব ফ্ল্যাট। ক্রেতা নেই তাই বিক্রিও হচ্ছে না।
আবাসন খাতে এ মন্দাদশার শুরু ২০০৭-০৮ সালের দিকে। ২০০৯ সালের দিকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও. পরের বছর এ খাতে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বন্ধ করার মাধ্যমে আবারও দুরবস্থা শুরু হয়। মড়ার ওপর খাড়ার ঘা হিসেবে দেখা দেয় আবাসিক খাতে সরকারের গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত।
এরপর এসব সমস্যা দূর হলেও, জেঁকে বসে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা। ফলাফল কমে আসে আবাসন খাতে বিনিয়োগ।
রাজউকের হিসবে ২০১২-১৩ অর্থবছরে নকশা অনুমোদন হয় ২ হাজার ৬৯৯টি। ১৩-১৪তে এ সংখ্যা কমে নেমে আসে আড়াই হাজারে। চলতি বছর এ সংখ্যা আরও কমবে বলে আশংকা এ খাতের ব্যবসায়ীদের।
এরসঙ্গে ক্রমেই এ খাত থেকে কমে আসছে সরকারের রাজস্ব আয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরের হিসেবে, আবাসন খাত থেকে ১২-১৩ অর্থবছরে সরকারের আয় হয়েছিল ৪ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা। ১৩-১৪ অর্থবছরে এ রাজস্বের পরিমাণ কমেছে ৬০০ কোটি টাকা।
তাদের মতে, এতে সরকারের বাজেট ঘাটতি যেমন বাড়বে, তেমনি জিডিপির উপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।