বাংলাদেশে একটি বিশেষ ব্যবসায়িক জোন চায় চীন— উল্লেখ করে একই সঙ্গে এদেশে তাদের বিদ্যমান ব্যবসার পরিধি আরও বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি বলে জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
রোববার দুপুরে তোফায়েল আহমেদ এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং ছিয়াং এর সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিগগিরই চীনের জন্য আলাদা ব্যবসায়িক জোন নির্মাণে জায়গা ঠিক করা হবে।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি হয় চীন থেকে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ি গত অর্থবছরে দু’দেশের আমদানি-রপ্তানি ছিল ৬ হাজার ৭৯৮ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশে ব্যবসার পরিধি আরও বাড়াতে চায় চীন বলেও জানান তোফায়েল আহমেদ।
এছাড়াও মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়াতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরির কাজ দ্রুত শেষ হচ্ছে— এমন মন্তব্য করে মন্ত্রী আরো বলেন, নতুন এ শিল্প এলাকা তৈরি হলে বাংলাদেশের পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার তৈরিতে সহায়ক হবে।
এসময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির হরতাল-অবরোধের কারণে বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।
এর আগে মাঠ পর্যায়ে কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১০টি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল মামুন ‘কর্মসম্পাদন চুক্তি’ স্বাক্ষর করেন।