চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ভাল অবস্থানে রয়েছে। সরকারের সাড়ে ৬% লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এ সময়ে মূল্যস্ফীতি নেমে এসেছে ৬.৩৯% আর পয়েন্ট টু পয়েন্টে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬.৩২%।
বুধবার সকালে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফ যে পুর্বাভাষই দিক, চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬% ওপরে হবে।
গত অর্থবছরের এপ্রিলে খাদ্য পণ্যের দাম বেড়েছিল গড়ে শতকরা আট টাকা ৯৫ পয়সা। আর চলতি বছরের এপ্রিলে সেই একই জিনিসের দাম বেড়েছে শতকরা ছয় টাকা ৪৮ পয়সা। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের এপ্রিলে পয়েন্ট টু পয়েন্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাড়িয়েছে ৬.৪৮%।
তবে আগের বছরের চেয়ে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.০৮%। সব মিলিয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি নেমে এসেছে সাড়ে ৬% নিচে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রকৃত তথ্য একমাত্র তাদের কাছেই আছে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ বা এডিবির মত আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে যে পূর্বাভাস দেয় তা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে।
যে কারণে জিডিপি নিয়ে তাদের পূর্বাভাস সঠিক হবে না বলে মনে করেন আহম মোস্তফা কামাল।
দুর্নীতির অভিযোগ এনে পদ্মা সেতুর প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বাতিলের পিছনে ড. ইউনূসের সম্পৃক্ততা রয়েছে—প্রধানমন্ত্রীর এ অভিযোগের বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ড. ইউনূসকে এসব বিষয়ে জাতীর সামনে পরিষ্কার করা উচিৎ।