দেশের সব করযোগ্য মানুষকে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই করের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আদবুল মুহিত। শনিবার দুপুরে রাজধানীতে পিআরআই আয়োজিত বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট সম্পদের ৪০ শতাংশই ৪০ লাখ মানুষের দখলে অথচ কর পরিশোধ করে মাত্র ১৪ লাখ মানুষ। বাকীদের করের আওতায় আনতে ভ্যাট ও কর আইনের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডেরও সংস্কার করা হবে।
এ আগে আলোচনায় বিড়ি সিগারেট ও তৈরি পোশাকের উপর করের হার আরো বাড়ানোর পরামর্শ দেন অর্থনীতিবিদরা। আগামী বাজেটে কোথা থেকে, কীভাবে অর্থের যোগান আসবে, এবং ব্যয়ের খাতই বা কী কী হবে; এ নিয়ে আলোচনার টেবিলে দেশের প্রতিথযশা অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও অর্থমন্ত্রী।
আলোচনায় কম মূল্যের বিড়ি-সিগারেটের উপর কর বাড়ানোর সুপারিশে বিশ্লেষকরা বলেন, বাজারের ৬৩ শতাংশই কমদামী তামাকের দখলে। এক্ষেত্রে কর হার বাড়ালে বড় অংকের রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি, দরিদ্রজনগোষ্ঠীর কাছে তামাকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত হবে। এতে তাদের স্বাস্থ ঝুঁকিও কমবে।
পরামর্শ আসে ভ্যাট ও কর আইন সংস্কারের। সেইসঙ্গে তৈরি পোশাক শিল্পের উৎসে কর ০.৩% থেকে বাড়িয়ে আগের অবস্থানে অর্থাৎ ০.৮% করার সুপারিশ করেন আলোচকরা।
বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন খাতকে প্রাধান্য দেয়ার পরামর্শ অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সব খাত বাজেটে অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকছে। তবে এ বছর বরাদ্দ খুব বেশি বাড়ছেনা। দেশের অর্থনীতির আকার ও চাহিদা বিবেচনা করে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকার বাজেট খুবই যৌক্তিক।