আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে রাজস্ব আয়, জাতীয় আয়ের ১৪ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে— এ লক্ষ্যে রাজস্ব খাতের সংস্কার চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে রাজস্ব আয় জাতীয় আয়ের ১১% চেয়েও কম। রাজস্ব আদায়ের এ চিত্র খুবই লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর পাশাপাশি আয় বাড়াতে সম্পূরক শুল্কের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে এনবিআরকে নির্দেশও দিয়ে মুহিত বলেন, প্রত্যক্ষকর ও ভ্যাটের আওতা বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে সম্পূরক শুল্ক তুলে দেয়া হবে।
এর আগে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ, তার বাজেট প্রস্তবনায় করমুক্ত আয়ের সীমা ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেন।
বিভিন্ন পর্যায়ে কর হার কমানোর পাশাপাশি, একটি বিনিয়োগ বান্ধব বাজেট পেশ করতে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন ব্যবসায়ী নেতারা।
এদিকে, কৃষিঋণ মওকুফের কোন চিন্তা-ভাবনা সরকার করছে না তবে ঋণ পরিশোধের সময় বাড়াতে পারে— আর এবারের বাজেটে কৃষি ভতুর্কিতে চলতি অর্থবছরের চাইতে তেমন কোন পার্থক্য থাকবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। দুপুরে নিজ কার্যালয়ে কৃষি বাজেট নিয়ে এক আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
কৃষি ঋণে সরকার খুব একটা সফল না হলেও এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ব্যাংকগুলোর সফলতা প্রশংসাজনক বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
এই সরকারের আমলে কৃষিতে বৈচিত্র্য আসাটাই কৃষিতে সাফল্য—উল্লেখ করে মুহিত বলেন, বিএনপি-জামাতের হরতাল-অবরোধের কারণে অর্থনীতিতে প্রভাব পড়লেও তা বড় কোন ক্ষতি কারণ হয়নি।