যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধার (জিএসপি) বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট। মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁও ‘ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অফ বাংলাদেশ’ বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট বলেন, আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশি গার্মেন্টস পণ্যের জিএসপি সুবিধা পেতে ব্যর্থ হলে এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশি ভালো হবে না। আর বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানার কর্ম পরিবেশ উন্নতির কথা স্বীকার করলেও গার্মেন্টস শ্রমিকদের অধিকার এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে আরো কাজ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানার পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। পোশাক খাতের সংস্কারের অগ্রগতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সন্তুষ্ট। তবে ভবনের নিরাপত্তা, অগ্নি নির্বাপন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের প্রচেষ্টাসহ জিএসপিতে বেশ কিছু বিষয়ে আরো অগ্রগতি আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র।’
এছাড়াও দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
এ সময় দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে।
কাজী আকরাম উদ্দীন বলেন, ‘গ্লোবাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে ২০২১ সালের মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবো। তবে এর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের সহযোহিতা আমাদের প্রয়োজন।’
যুক্তরাষ্ট্রকে জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দেয়াসহ বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এফবিসিসিআই সভাপতি আরো বলেন, আমাদের অর্থনীতির যে সাফল্য এসেছে তা ধরে রাখতে হলে অবকাঠামো উন্নয়নে নজর দিতে হবে।