রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি স্থিতিশীল ছিল—এ স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের পরিধি বৃদ্ধি ও ব্যাক্তিখাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি।
সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ প্রতিবেদন তুলে ধরেন সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
বার্ষিক অর্থনৈতিক পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরে এসময় ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করতে যে ১০% প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন তা অর্জন সম্ভব নয় বলে আবারো উল্লেখ করেন তিনি।
সংস্থাটির মূল্যায়নে চলতি অর্থবছরে দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা চললেও তার তেমন প্রভাব পড়েনি—এ কথা উল্লেখ করে ফেলো বলেন, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম স্থিতিশীল থাকলেও কর্মসংস্থান, রাজস্ব আদায় না হওয়া, ব্যক্তি বিনিয়োগ কম এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে।
এসব ঘাটতি কাটাতে অর্থনৈতিক উন্নতিতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছেন বক্তারা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর নিয়েও মন্তব্য করেন তারা।
ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত নিয়ে যেসব চুক্তি হবে তাতে অবকাঠামো নির্মাণে বিনিয়োগ ও ট্রানজিট দেয়ার ক্ষেত্রে মাসুল আদায়ের বিষয় সম্পৃক্ত করার সুপারিশ করেছেন।