প্রতিবারের মতো বড় অঙ্কের ঘাটতি এবারের বাজেটেও থাকছে—অংকের হিসেবে তা প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা। আর প্রতিবারের মতো এবারও ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে নির্ভর করতে হবে বৈদেশিক এবং অভ্যন্তরীণ ঋণের উপর।
তবে এবার সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কিছুটা কমায় বাজেটের ঘাটতি ব্যয়ে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। এদিকে, এবারের বাজেটে জ্বালানিতে ভর্তুকি না দেয়ার সিদ্ধান্ত হলেও সামগ্রিকভাবে কমছে না ভর্তুকির পরিমাণ।
দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতি বছরই বড় অঙ্কের ঘাটতি রেখেই বাজেট পেশ করা হয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বাজেটের পরিসর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ঘাটতির পরিমাণও।
তবে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বিভাগ বড় অঙ্কের এই ঘাটতিকে স্বাভাবিকই মনে করছে। ঘাটতি মেটাতে এবারও অভ্যন্তরীণ উৎসের পাশাপাশি সরকারকে নির্ভর করতে হচ্ছে বৈদেশিক ঋণের উপরে।
তবে ঘাটতি অর্থায়নের একটি বড় উৎস সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমাতে, এবারের ঘাটতি ব্যয় সামঞ্জস্য করতে সরকার একটু সুবিধা পাবে বলেই মনে করছেন উসেন্টার ফর ডায়ালগের অর্থনীতি বিশ্লেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম
এদিকে এবারের বাজেটেও কৃষি খাতকে প্রাধান্য দিয়ে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। তবে বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দাম কমায় এ খাতে ভর্তুকি না রাখা হলেও চলতি অর্থবছরের তুলনায় কমছেনা সামগ্রিক ভর্তুকির পরিমাণ।
এবারের বাজেটে বিভিন্ন খাতে মোট ভর্তুকি থাকছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।