দেশের জনগণের দেয়া প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের টাকাতেই জাতীয় বাজেট বাস্তবায়িত হয়। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে পারিবারিক বাজেটে।
এবারও বাজেটের আকার বড় হওয়ায় পারিবারিক বাজেটেও এর প্রভাব বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রদত্ত করের বিপরীতে সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুশাসনসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে পারিবারিক বাজেটে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
এ ঘাটতি বাজেট বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, যখন জাতীয় বাজেটে কোনো পণ্য বা সেবায় বাড়তি ভ্যাট আরোপ করা হয়।
এদিকে, জাতীয় বাজেট নির্দশনায় পণ্য বা সেবার উপর যেমন কর বাড়ানো/কমানো হয়, তেমনি নতুন করে আর আরোপ করাও হয়। এর ওপর অনেকাংশেই পণ্য বা সেবার দাম বাড়া/ কমা নির্ভর করে। যার প্রভাব পড়ে পারিবারিক বাজেটও।
গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে সরকার এবার প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করছে। এ বাড়তি অর্থ আদায় করতে, ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি, পণ্য আমদানি ও সম্পুরক শুল্ক থেকে ৯৭২ কোটি টাকা বেশি আদায়ের পরিকল্পনা করছে।
এর ফলে পারিবারিক বাজেটে ব্যয়ের অংক বাড়বে। তবে এর বিপরীতে সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারলে, সাধারণ মানুষের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।