প্রস্তাবিত বাজেট ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বরাবরের মতো প্রবৃদ্ধি সহায়ক খাতসমূহ বিশেষ করে ভৌত ও সামাজিক অবকাঠামো খাত যেমন; বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পরিবহন, যোগাযোগ, বন্দর উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইসিটি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৫-১৬ প্রস্তাবিত অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
এবারের বাজেটে ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগের স্থবিরতা দূর করে মধ্য মেয়াদে অর্থাৎ ২০১৬-১৮ সালের মধ্যে তা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ২৪.০% উন্নীত করা লক্ষ্য ধরা হয়েছে। একই সময়ে সরকারি বিনিয়োগও জিডিপির ৭.৮% উন্নীতেরও করার লক্ষ্য রয়েছে।
বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিবহণ খাতে মহাসড়কসমূহকে ৪ লেনে উন্নীতকরণসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা ময়মনসিংহ ৪ লেন রাস্তা আগামী অর্থবছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
তিনি আরো বলেন, ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা কমানোর লক্ষ্যে ও গ্যাসের সমস্যা নিরসনে সমুদ্র অঞ্চলে ২৬টি ব্লকে অনুসন্ধান শুরুর জন্য উৎপাদন, বণ্টন, চুক্তি সাক্ষরের প্রক্রিয়া চলছে।
২০২১ সাল নাগদ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৪ হাজার মেগাওয়াট উন্নীত করার লক্ষ্যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, পুরাতন কেন্দ্রগুলোর সংস্কার, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যাবস্থার উন্নয়ন, পর্যায়ক্রমে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন, উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় বিদ্যুৎ আমদানি, জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও বাজেট প্রস্তাবনায় জানিয়েছেন মুহিত।