চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারে ভারতের সঙ্গে চুক্তির মধ্যদিয়ে সমুদ্র পথে দেশটির ট্রান্সশিপমেন্ট শুরু হয়েছে।
সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সদ্যসমাপ্ত সফরের পর এ ট্রান্সশিপমেন্ট শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউনি বেঙ্গলের জেনারেল ম্যানেজার খায়রুল ইসলাম।
এর ফলে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর দিয়ে ট্রান্সশিপমেন্ট গতিশীল হবে—সেইসঙ্গে ট্রান্সশিপমেন্ট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় আয় বাড়বে চট্টগ্রাম বন্দরের আর পাবে বিশ্বমানের বন্দরের স্বীকৃতি বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘ওই সমস্ত বন্দরের কার্গোগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে নামানো হচ্ছে এবং আমাদের আরেকটি সার্ভিস দিয়ে সেগুলো নিয়ে যাওয়া হবে।’
ট্রান্সশিপমেন্টের এ চুক্তিকে চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য বড় সম্ভাবনা বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়াডার্স অ্যাসোসিয়েশন পরিচালক খায়রুল আলম সুজন।
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে যে সম্ভবনা দেখা দিয়েছে শুধুমাত্র ভারত না নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার ছাড়াও চীন এবং থাইল্যান্ডের সঙ্গেও কাজ করতে পারবো।’
এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের থেকে সরকারে রাজস্ব আয় বাড়বে বলে জানান চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম।
তিনি বলেন, ‘আমি দিলে (বন্দর ব্যবহার) আমার লাভ হবে কারণ আমি ছাড়লে আমাদের একটা কর দিবে তারা (ব্যবহারকারীরা)।’
প্রসঙ্গত: গত ২ জুন মিয়ানমারের ইয়াংগুন থেকে আসা "ইরাবতি স্টার" নামের একটি জাহাজ থেকে কাঠ ও ডাল বোঝাই ৯২টি কন্টেইনার খালাস করা হয় চট্টগ্রাম বন্দরে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কন্টেইনারগুলো অন্য জাহাজে করে ভারতের চেন্নাই, কোচিন ও নাভোসেবা বন্দরে পাঠানোর কথা রয়েছে। মিয়ানমার থেকে ভারতের বন্দরগুলোর সরাসরি নৌ-রুট না থাকায় ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ইউনি বেঙ্গলের চুক্তির ভিত্তিতে এ ট্রান্সশিপমেন্ট হচ্ছে।