অর্থনীতি

শীর্ষ স্থানীয় ৩টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ঋণ পুনর্গঠন চায়

৩টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ঋণ পুনর্গঠন চায়
৩টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ঋণ পুনর্গঠন চায়

সরকারের দেয়া বিশেষ সুবিধার আওয়তায় সাত হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ পুনর্গঠনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় ৩টি ব্যবসায়ী গ্রুপের আবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাছাই কমিটিতে এসেছে—জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক রূপ রতন পাইন।

বুধবার সাংবাদিকদের রূপ রতন বলেন, ঋণ পুনর্গঠনের জন্য মোট ৮টি আবেদন তাদের হাতে আসে তারমধ্যে বেক্সিমকো, যমুনা ও থারম্যাক্স গ্রুপের আবেদন বাছাই কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাছ থেকে আরো কিছু তথ্য পাওয়ার পর কেয়া গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, রতনপুর গ্রুপ, আব্দুল মোনেম লিমিটেড ও রাইজিং স্টিলের ৫টি আবেদন বাছাই কমিটিতে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

বেক্সিমকোসহ কয়েকটি ব্যবসায়ী গ্রুপের দাবিতে চলতি বছর ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পুনর্গঠন নীতিমালা জারি করে। ওই নীতিমালার সুবিধা নেয়ার জন্য ৩০ জুনের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয় আর ওই সময় মঙ্গলবার শেষ হয়েছে।

এর বাইরে আরো কয়েকটি ব্যাংক ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা নিতে চায় জানিয়ে রূপ রতন বলেন, কয়েকটি ব্যাংক আবেদন না করলেও ফোন করে জানিয়েছে, তাদের গ্রাহকরা ঋণ পুনর্গঠন নিতে চায়। এজন্য আরো দু-একদিনের মধ্যে কোনো আবেদন আসলে আমরা নেব।

তিনি আরো বলেন, এই সুবিধা পেতে হলে একক বা গ্রুপভুক্ত বকেয়া ঋণের পরিমাণ কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকা হতে হবে— তবে একটি গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠানের বকেয়া ঋণের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকা হলেও এ সুবিধা নিতে পারবে।

পুনর্গঠন নীতিমালায় মেয়াদী ঋণ পরিশোধের সময় ধরা হয়েছে ১২ বছর। আর তলবী ও চলতি ঋণ পরিশোধের সময় ধরা হয়েছে ৬ বছর। ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা নেওয়া প্রতিষ্ঠান প্রথম তিন বছর কোনো নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন দিলে হ্রাসকৃত সুদহার, পরিশোধের সময় বাড়ানো, কম ডাউন পেমেন্টসহ বড় ঋণ পরিশোধে ছাড় পাবেন উদ্যোক্তারা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণ পুনর্গঠনের আবেদন পাঠিয়েছে সোনালী, জনতা, ন্যাশনাল ও এবি ব্যাংক। এই গ্রুপটি ৫ হাজার ২৬৯ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা চায়।

থারম্যাক্স গ্রুপের ৬৬৬ কোটি টাকা ঋণ পুনর্গঠনের আবেদন এসেছে জনতা ব্যাংক থেকে।

আর ডাচ্ বাংলা, জনতা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও ইউসিবিএল থেকে যমুনা গ্রুপের মোট এক হাজার ২৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণ পুনর্গঠনের আবদেন করা হয়েছে।

এছাড়া সাউথ ইস্ট ব্যাংক কেয়া গ্রুপ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট আবদুল মোনেম লিমিটেড, জনতা ব্যাংক রতনপুর গ্রুপ ও এবি ব্যাংক সিকদার গ্রুপের আবেদন পাঠিয়েছে।

এসব আবেদনে গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ১২ বছর এবং সুদ ১০ থেকে ১২ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ঋণ পুনর্গঠন সুবিধার আবেদন বাছাই কমিটির প্রধান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নওশাদ আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা তিন গ্রুপের আবেদন দেখছি। আবেদনে যেসব বিষয়ের কাগজপত্রের ঘাটতি আছে সেগুলো ব্যাংকের কাছে চাওয়া হয়েছে। সবকিছু দেখে পুনর্গঠন পাবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

গতবছর বেক্সিমকো গ্রুপ তাদের কয়েকটি ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি দেনা পরিশোধের সুবিধা চেয়ে গভর্নরের কাছে আবেদন করে। পরে চট্টগ্রামের এস আলম ও মোস্তফা গ্রুপও একই সুবিধা চায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ঋণ পুনর্গঠন নীতিমালা অনুমোদন করার পর ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেছিলেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, অবকাঠামো সমস্যা ও আন্তর্জাতিক বাজার প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দিতেই এই নীতিমালা। সূত্র বিডি নিউজ।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ইবিএইউবি-এ পালিত হলো ‘শেখ রাসেল দিবস’

আবার দাম কমেছে স্বর্ণের

জুয়েলারি পণ্য অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে: এফবিসিসিআই সভাপতি

গার্মেন্টস শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ, আইজি ও আয়াত এডুকেশন

‘চায়না-বাংলাদেশ বাণিজ্য সহজীকরণ’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ