ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় করে মাত্র ৬০ হাজার প্রতিষ্ঠান সরকারকে মুল্য সংযোজন কর বা মূসক দেয়— অথচ দেশে মূসক দেয়ার উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান আছে প্রায় ৬ লাখ বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
রোববার দুপুরে রাজধানীতে মূসক দিবসের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
এসব প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনাকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থমন্ত্রী। তবে মূসক আইন-২০১২'তে কোনো সংশোধন করা হবে কিনা—তা নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি অর্থমন্ত্রী।
এছাড়া অনুষ্ঠানে, কর আদায় করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের অযথা হয়রানি করা হয় এমন অভিযোগও করেন ব্যবসায়ীরা। এসব অভিযোগের বিষয়ে রাজস্ব বোর্ডের কর্মকতাদের সতর্ক করে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
কর আদায় বাড়াতে গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত করের জাল বিস্তার করার আহবান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর এনবিআরের পক্ষ থেকে, আগামী বছরের জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া মূসক আইন-২০১২'র বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়।
তবে এ আইনের বেশ কিছু ধারার বিরোধিতা করেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ফ্ল্যাট রেটে সবার জন্য ১৫% ভ্যাট আরোপ না করে ব্যবসা ও পণ্যের ধরণ অনুযায়ী আলাদা আলাদা রেটে ভ্যাট নেয়ার দাবি করেন এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব।
অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ মূসক দেয়ার জন্য জাতীয় পর্যায়ে ৯ টি প্রতিষ্ঠান এবং জেলা ভিত্তিক ১১০ টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়।
মুল্য সংযোজন কর বা মুসক দিতে উৎসাহিত করতে, দেশব্যাপী ১০ জুলাই থেকে পালিত হচ্ছে জাতীয় মূসক সপ্তাহ। এর অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর আয়োজন করে এই আলোচনা অনুষ্ঠান।