মোট ঋণের কমপক্ষে ২.৫% কৃষি খাতে বিতরণের জন্য বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো ব্যাংক এ নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়।
সোমবার বিকালে রাজধানীতে ‘কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ২০১৫-১৬’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।
উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ উৎপাদন, কৃষির আধুনিকায়ন, এলাকাভেদে জলবায়ু ও পরিবেশ উপযোগী ফসলের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনসহ কৃষকদের অর্থায়ন করতে বরাবরই তালিকাভুক্ত ব্যাংগুলোকে নির্দেশনা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সেই ধারাবাহিকতায় গত বারের চেয়ে সাড়ে ৫% বাড়িয়ে এবার প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
গেল অর্থবছরে কৃষি ঋণ বিতরণ হয়েছে ১৫ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। যা ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৩% বেশি। কিছু ব্যাংক যেমন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বিতরণ করেছে, তেমনি অনেক ব্যাংক কৃষিঋণ বিতরণে লক্ষ্যমাত্রা পুরণ করতে পারেনি। লক্ষ্যমাত্রা পুরণে ব্যর্থ হলে, এবারই প্রথম শাস্তির ব্যবস্থা থাকছে কৃষি ঋণ নীতিমালায়।
ঋণ বিতরণের বিপরীতে কৃষি ঋণ আদায়ের পরিমাণ ৭০%। এ আদায়ের পরিমাণ আরো বাড়াতে এবং ঋণের অর্থের যথাযথ ব্যবহারে তদারকি জোরদার করতেও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক গুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।