মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা সামষ্টিক অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ৭% প্রবৃদ্ধি এবং মুল্যস্ফীতি ৬.২% নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে ঘোষণা করা হল নতুন অর্থবছরের প্রথম মুদ্রানীতি। বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান আগামী ৬ মাসের জন্য এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
জাতীয় বাজেটের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণা করলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এবারের মুদ্রানীতিকে অনেক বেশি বিনিয়োগ বান্ধব এবং নমনীয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এ মুদ্রানীতির ফলে একদিকে মুল্যস্ফীতি আরও কমে আসবে। অন্যদিকে ছয়ের বৃত্ত থেকে বেড়িয়ে ৭% জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনও সহায়ক হবে।
এ মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১৫%। যা গত অর্থবছরে অর্জিত ১৩.৬% থেকে প্রায় দেড় শতাংশ বেশি। সার্বিকভাবে অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবাহ প্রাক্কলন করা হয়েছে সাড়ে ১৬%।
এর পাশাপাশি বিনিয়োগ উৎসাহিত ঘোষণা এসেছে ৩০ কোটি ডলারের একটি দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ তহবিলের। রপ্তানিতে সহায়তা করতে থাকছে আরও ২০ কোটি ডলারের আররো একটি তহবিল।
মুল্যস্ফীতি সাড়ে ৬% নামিয়ে আনা এবং কলমানি রেট স্থিতিশীল রাখা ছাড়া, আগের মুদ্রানীতির বেশিরভাগ সুচকেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এ জন্য রাজনৈতিক অস্থিরতাকেই দুষলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
এদিকে, মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ১৫% এবং সরকারি খাতে ২৩.৭% ঋণের প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে। বিনিয়োগ এবং রপ্তানিকে উৎসাহিত করতে ৫০ কোটি ডলারে দুইটি আলাদা তহবিলেরও ঘোষণা এসেছে মুদ্রানীতিতে।