বিশ্ববাজারে কমছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আর বাড়ছে প্রতিযোগী দেশ ভারত, পাকিস্তান এ ভিয়েতনামের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি।
এ জন্য দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াকে দায়ি করছেন এ খাতের ব্যাবসায়ীরা। তবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি সরকারের নীতি সহায়তা পেলে আবার ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব বলে আশাবাদী তারা।
বিশেষ করে রপ্তানি খাতে টাকার বিপরীতে ডলারের আলাদা বিনিময় হার এবং জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮২% হিস্যা পোশাক খাতের। বিগত এক দশক ধরে এ খাতটি রপ্তানিতে ধারাবাহিকভাবে ১০% এর উপর প্রবৃদ্ধি অর্জন করে আসছিল তবে হঠাৎই যেন ছেদ পড়লো।
গত তিন বছর ধরে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি কমতে কমতে এ বছর নেমে এসেছে সাড়ে তিন শতাংশেরও নিচে। অথচ বিপরীতে বেড়েছে এ খাতে বাংলাদেশের মুল প্রতিদ্বন্দ্ব ভারত, পাকিস্তান, ও ভিয়েতনামের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি।
এ অবস্থার জন্য দেশের রাজনৈতিনক অস্থিরতা, গ্যাস ও বিদ্যুতের অপ্রতুলতা এবং ডলারের বিপরীতে টাকার মান বাড়াকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা।
বিজিএমইএর তথ্য মতে, গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৩.৩৭%। প্রতিযোগী ভারতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯.৮৮%। ইউরোপের বাজারে জিএসপি সুবিধা পাওয়ায় পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি বেড়ে হয়েছে ৬.৬৩%। ভিয়েতমানের প্রবৃদ্ধি দুই অংকের কোটায়, ১২.২১%।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ব্যবসায়ীরা চান সরকারের নীতি সহায়তা। এছাড়াও গ্যাসের সংযোগ দেয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তেলের দাম কমানোর দাবিও করেছেন তারা।
সরকার এ বিষয়গুলোর সমাধান করলে আগামী বছর থেকেই রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আবারও দুই অংকের কোটায় উন্নিত হবে বলে তারা আশা করছেন।