মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে স্থগিত হওয়া জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে সব শর্তই পূরণ করেছে বাংলাদেশ— কাজেই এ সুবিধা ফিরে না পাওয়ার কোনো কারণই নেই বলে আবারো এ মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
বৃহস্পতিবার নিজ দপ্তরে অ্যালায়েন্স ফর ওয়ার্কার সেফটির সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন তিনি।
জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে তার আশাবাদের কথা বলেন—তবে শ্রমিক অধিকার প্রশ্নে খুব বেশি আলোচনা-সমালোচনা হওয়ায় তিনি তার ক্ষোভের কথাও জানান।
বৈঠকে সংস্থাটির কর্মকর্তা, সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টিও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন।
দেশের তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন জেমস এফ মরিয়ার্টির নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তারা।
শুরুতেই জেমস এফ. মরিয়ার্টি জিএসপি প্রসঙ্গে কথা বলেন।
এ সুবিধা ফিরে পেতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা-পর্যালোচনাকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পোশাক শিল্প খাতে রানা প্লাজার মতো দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয় সেজন্য জোর আহ্বান জানান মরিয়ার্টি।
দেশের তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতিতে অ্যালায়েন্স ও অ্যাকর্ডের মতো বিদেশি ক্রেতা সংগঠন সন্তুষ্ট উল্লেখ করে, ৫ জানুয়ারি থেকে টানা অবরোধ-হরতাল না হলে এ খাতে আরও উন্নতি হতো বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।