বর্তমানে কিছুটা সংকট থাকলেও আসন্ন কোরবানির ঈদে দেশে গরু-মহিষের কোনো সংকট হবে না।
ঈদে এসব পশুর বাড়তি চাহিদা মেটাতে এরইমধ্যে ভারতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনায় ইতিবাচক সারা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
পাশাপাশি মিয়ানমার এবং নেপাল-ভূটান থেকেও কোরবানির পশু আমদানির চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন গবাদি পশু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী মজিবর রহমান ও মাংস ব্যবসায়ী সমতির সভাপতি রবিউল আলম।
তবে, দেশে উদ্বৃত্ত ছাগল আর ভেড়া আছে বলে জানান তারা।
রাজধানীর গাতবলীর পশুর হাটের এবারের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। অন্যবারে এসময়ে যে পরিমাণে পশুর সরবরাহ থাকে এবারে তেমনটা নেই।
আবার ভারত থেকে প্রতিবছর যে পরিমাণে গরু আসে এবার তেমনটা আসছে না। জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, এবার কোরবানির জন্য যথেষ্ট পশু পাওয়া যাবে তো?
মৎস ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসেবে গতবছর দেশে গরু মহিষ মিলে কোরবানি হয়েছিল প্রায় ৪৫ লাখ পশু। ১০ শতাংশ বেশি চাহিদা ধরলে এবার গরু মহিষের চাহিদা দাঁড়াবে প্রায় ৫০ লাখ। দেশেই মজুদ আছে প্রায় ৪০ লাখ।
অন্যদিকে ছাগল-ভেড়ার ২৫ লাখ চাহিদার জায়গায় মজুদ রয়েছে ৬৯ লাখ, গরু-মহিষের এ ঘাটতি মেটাতে নির্ভর করতে হচ্ছে আমদানির ওপর।
ব্যবসায়ীদের হিসেবে, বাংলাদেশ ভারতীয় পশুর বৃহত্তম বাজার। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিকল্প না থাকায় সেদেশের ব্যবসায়ীরা তাদের স্বার্থেই গরু পাঠাবে।
এরই মধ্যে মিয়ানমার ও নেপাল-ভুটান থেকেও কোরবানির পশু আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।