বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় পাইকারি বাজারে কমেছে এর দাম। তবে খুচরা বাজারে এখনো দাম কমেনি। পাকিস্তান, মিশর এবং চীনের পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকেও বাড়তি সরবরাহ শুরু হওয়ায় পেয়াজের দাম নিম্নমুখী বলে জানিয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তবে বেড়েছে আদা, রসুনের দাম। আর গত দুই সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও শাক-সবজির দাম চড়া।
রাজধানীর শ্যামবাজারের আরতগুলো এখন পেয়াজে পরিপূর্ণ। কারণ এরই মধ্যে এসব আরতে এসেছে পাকিস্তান, মিশর ও চীনের পেয়াজ। এর ফলে পাইকারি বাজারে দামও কমে এসেছে। মানভেদে দেশি-বিদেশি পেয়াজ এখানে বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৬২ টাকা কেজি দরে।
দেশীয় উৎস থেকেও আসছে পেয়াজের বাড়তি সরবরাহ। কৃষকরা এতদিন ধরে রাখলেও বেশি দামের কারণে তারা পেয়াজ বাজারে ছাড়তে শুরু করেছে।
তবে পাইকারি বাজারে দাম কমলেও এর কোন প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে। এখনো এখানে প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়।
পেয়াজের ঝাজে নাকাল ভোক্তাদের স্বস্তি নেই, সবজির বাজারে এসেও। ৫০ টাকা কেজির নিচে কোন সবজিই মিলছে না।
তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে মাছের বাজারে। সরবরাহ যেমন বেড়েছে, তেমনি গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে দামও কমেছে।