স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি বাড়াতে বন্দরগুলোর আধুনিকায়ন চান ব্যবসায়ীরা। নির্বিঘ্নে পণ্য আনা নেয়ার জন্য স্থলবন্দরে ভারতীয় ও বাংলাদেশি অংশে অবকাঠামো নির্মাণ এবং কাস্টমসের প্রক্রিয়া আরও সহজ করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
রোববার দুপুরে রাজধানীতে বাণিজ্য সহজিকরণে স্থলবন্দর ও কাস্টমসের উন্নয়ন নিয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই আয়োজিত এক সেমিনারে তারা এ দাবি জানান।
তাদের এ দাবিগুলো নিজ নিজ কর্তপক্ষের কাছে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার মোট বাণিজ্যের মাত্র ৮ থেকে ১০% হয় স্থলবন্দর দিয়ে। কিন্তু ব্যাপক সম্ভাবনা থাকা স্বত্ত্বেও কিছু সমস্যার কারণেতা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।
বন্দরের এসব সমস্যা নিয়ে আয়োজিত এ সেমিনারে ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্দরের দুই পাশে রাস্তাঘাট এবং ওয়্যারহাউজের পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় ঠিকমত পণ্য পরিবহণ করা যায় না। এর পাশাপাশি কাস্টমসের বিভিন্ন জটিলতার কারণে এ পথে আমদানি রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।
ভারতীয় হাই কমিশনার পঙ্কজ সরণ দাবি করেন, আগের চেয়ে অবকাঠামো এবং কাস্টমস পদ্ধতির অনেক উন্নতি হয়েছে।
স্থলপথে বাণিজ্য আরও সহজ করতে ভারতীয় সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই বলেও তিনি জানান।
প্রতিশ্রুতি দেন সেমিনারে যেসব সমস্যার কথা উঠে এসেছে তা যথাযাথ কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরবেন তিনি।
নৌ-পরিবহণ মন্ত্রীর কথায়ও পাওয়া গেল ভারতীয় হাইকমিশনারের কথারই সুর। স্থল বন্দরগুলো আরও কার্যকর করে তুলতে সরকার অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেছেন। আর সেমিনারে যেসব সমস্যার কথা বলা হয়েছে, তারও সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
স্থলবন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে পারলে ভারতের পাশাপাশি নেপাল এবং ভুটানের সঙ্গেও বাণিজ্য আরও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।