সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এমডিজিতে যেসব সূচকে লক্ষ্য অর্জিত হয়নি সেগুলো দিয়েই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- এসডিজি বাস্তবায়ন শুরুর পরামর্শ দিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি)।
সোমবার সকালে রাজধানীতে এসডিজি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ পরামর্শ দেন সংগঠনের ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
এসডিজি বাস্তবায়নে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের মতো বিষয়গুলো বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন ড. দেবপ্রিয়।
তিনি বলেন, ১৭টি অভিষ্ট ও ১৬৯টি লক্ষ্য নিয়ে ১৯৩টি দেশের ঐকমত্যে গ্রহণ করা হয়েছে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি।
এমডিজিতে অধিকতর গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে— আর এসডিজিতে অধিকতর গুরুত্ব পাচ্ছে অর্থনৈতিক ও পরিবেশের উন্নয়ন বলেও জানান ড. দেবপ্রিয়।
এমডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ অনেক দেশের তুলনায় বেশি সফলতা অর্জন করেছে—উল্লেখ করে সিপিডির এ ডিস্টিঙ্গুইশ্ড ফেলো বলেন, তবে ব্যর্থ হয়েছে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী পুরুষের আয় বৈষম্য নিরসন ও পরিবেশ উন্নয়নের মত বিষয়গুলোতে।
এসডিজির অভিষ্ট অনুযায়ী এ টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবচেয়ে বেশি দরকার সুশাসন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যাতে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের পাশাপাশি ন্যায় বিচার ও সাম্যতা প্রতিষ্ঠা পায় বলেও জানান দেবপ্রিয়।
এসডিজি বাস্তবায়নে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫ থেকে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থের প্রয়োজন হবে। যার সংস্থানকেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে সিপিডি।