শীত আসার আগেই বাজারে আসতে শুরু করেছে শীতের সবজি। এতে সার্বিকভাবে বেড়েছে সরবরাহ তবে দাম কমেনি। অপরদিকে বিশ্ববাজারে দাম কমলেও, দেশের বাজারে বেড়েছে মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ও চিনির দাম। বেড়েছে মোটা চালের দামও। তবে সরবরাহ বাড়ায়, কমেছে সব ধরণের মাছের দাম।
হেমন্তের শুরুতে স্বল্প আকারে হলেও বাজারে এসেছে বাধাকপি, ফুলকপির মত শীতের সবজি।
বৃষ্টি কমে আসায় এর পাশাপাশি বেড়েছে অন্যান্য সবজির সরবরাহও। তবে সরবরাহ বাড়লেও দাম ঠিক আগের অবস্থায়ই আছে।
তবে ব্যবসায়ীদের আশ্বাস এখন থেকে দাম আর বাড়বে না। বরং আগামী সপ্তাহ থেকেই সরবরাহ আরও বাড়লে, দাম কমে আসবে বলে তারা মনে করছেন।
প্রচুর আমদানির ফলে পাকিস্তানি ও মিশরীয় পেয়াজের দাম নেমে এসেছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে। দেশি পেয়াজের তুলনায় দাম অর্ধেক হওয়ায়, ভোক্তারাও ঝুকছেন এসব বিদেশী পেয়াজের দিকেই।
তবে ভোক্তারা অসস্তিতে পড়ছেন মুদির দোকানে এসে। আমদানি নির্ভর সয়াবিন তেল, চিনি ও মসুরের ডাল আন্তর্জাতিক বাজারে কমলেও, দেশের বাজারে বেড়েছে।
খাদ্য তালিকার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ উপাদান চাল নিয়েও চলছে মিলারদের স্বেচ্ছাচারিতা। বাজারে চালের কোন অভাব নেই। তারপরও সরবরাহ সংকটের অজুহাত দিয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে কেজিতে তিন থেকে পাঁচ টাকা।
মন্দের ভাল মাছের বাজার। দেশি মাছের সরবরাহে বাজার ভরপুর। ফলে দাম আগের চেয়ে কিছুটা হলেও কম।