যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি-টিকফার বৈঠকের পর বাংলাদেশ জিএসপি (যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা) ফিরে পাবে—বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাটের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
টিকফা বৈঠকের পর জিএসপি ফেরত পাবো—উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এটি যতোখানি না অর্থনৈতিক লাভের বিষয়, তার চেয়ে বেশি মর্যাদার। এতে তেমন লাভবান না হলেও এর সঙ্গে দেশের সুনাম জড়িত। বৈঠকের পর তাদের আরোপিত বিধিনিষেধ তারা প্রত্যাহার করবে, এটিই প্রত্যাশা আমার।
তিনি আরো বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্টের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে সকলেই একমত হয়েছি।
আগামী ২৩ নভেম্বর ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জিএসপি সুবিধার দাবি তুলে ধরা হবে বলেও জানান তোফায়েল আহমেদ।
এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, কোনো রাজনৈতিক কারণে জিএসপি সুবিধা স্থগিত করা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, এটা ঠিক নয় যে রাজনৈতিক কারণে সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। কোনো রাজনৈতিক কারণে এ সুবিধা বাতিল করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকরা নিরাপদে থাকুক এবং বাংলাদেশ পোশাকশিল্পে আরো উন্নতি লাভ করুক। অনেক কারখানা পরিদর্শন করেছি, সেখানে দেখেছি শ্রমিকরা খুব সুন্দর পরিবেশে কাজ করছে। তবে জানামতে, আরো কিছু শর্ত হয়তো পূরণ করতে হতে পারে।
উল্লেখ্য, তাজরিন ফ্যাশনসে অগ্নিকাণ্ড ও রানা প্লাজা ধসে সহস্রাধিক শ্রমিকের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে ২০১৩ সালের ২৭ জুন বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র।