পেঁয়াজের সর্বনিম্ন রফতানি মূল্য (এমইপি) প্রতি মেট্রিক টনে ৭০০ ডলার থেকে কমিয়ে ৪০০ ডলার নির্ধারণ করেছে ভারত সরকার।
ফরেন ট্রেড অধিদপ্তরের (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তির বরাতে শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
গত সপ্তাহের শুরুর দিকে পেঁয়াজের পাইকারি দাম কেজিতে ১০ রুপি কমে যাওয়ার পর রপ্তানি বাড়াতে কেন্দ্রীয় সরকারকে এমইপি পুনর্নির্ধারণের পরামর্শ দেয় মহারাষ্ট্র সরকার।
ন্যাশনাল হর্টিকালচার রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এনএইচআরডিএফ) তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি এশিয়ার বৃহত্তম পাইকারি পেঁয়াজের বাজার মহারাষ্ট্রের লাসালগাঁওয়ে প্রতি কেজি ১০-১৪ রুপি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত আগস্টে একই বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের বিক্রয়মূল্য ছিল ৫৭ রুপি।
এদিকে, দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বৃহস্পতিবার এক টুইটে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বলে এনডিটিভির এক খবরে বলা হয়।
ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির সভাপতিত্বে কৃষিমন্ত্রী রাধা মোহন সিংও ওই বৈঠকে অংশ নেন।
অকাল বৃষ্টির কারণে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত অগাস্টে সে দেশের সরকার রপ্তানিমূল্য প্রতি মেট্রিক টনে ৪২৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭০০ ডলার করে। বাংলাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ে।
নিত্য প্রয়োজনীয় এই খাদ্যপণ্যটির উত্পাদনে ঘাটতির কারণে প্রতিবছর তিন লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। এর বেশিরভাগটাই আসে ভারত থেকে।
অবশ্য নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় স্থানীয় বাজারে এই পণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার দরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি দেশি পিঁয়াজ ৬০ থেকে ৬১ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
আর প্রতি কেজি আমদানি করা পিঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে শনিবার, এক মাস আগে যা ৪০ থেকে ৫০ টাকা ছিল।
উল্লেখ্য, উত্পাদনে ঘাটতির কারণে প্রতিবছর কমপক্ষে তিন লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। এর বেশিরভাগ আসে ভারত থেকে।