বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতের ছয় প্রকল্পে সহজ শর্তে বাংলাদেশকে ৮৬৬০ কোটি টাকা জাপানের ঋণ চুক্তি হয়েছে। রোববার এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশের পক্ষে ইআরডির জেষ্ঠ্য সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন এবং জাইকার পক্ষে আবাসিক জাপানি রাষ্ট্রদূত মিকিও হাতায়েদা এ চুক্তিতে সই করেন।
এ ঋণের জন্য বার্ষিক সুদের হার হবে ০.০১%। ঋণ শোধ করতে হবে ৪০ বছরে। ঋণ চুক্তিতে সুদের রেয়াতকাল ধরা হয়েছে ১০ বছর; অর্থাৎ, এই সময়ে কিস্তি শোধে সুদ দিতে হবে না।
জাপানি মুদ্রার হিসেবে এটাই বাংলাদেশকে দেওয়া জাপানের সবচেয়ে বড় ঋণ সহায়তা—উল্লেখ করে জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরের সময় জাপান সরকার ৫ বছরে ছয় বিলিয়ন ডলারের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এটি তারই প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে মেজবাহউদ্দিন বলেন, জাপানি এই সহায়তা আমাদের অর্থনীতিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে— নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে আমাদের অনেক বিনিয়োগ দরকার।
জাইকার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ৩৬তম ঋণ এই প্যাকেজের আওতায় প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিকরণ, ঢাকা-চট্টগ্রাম পাওয়ার গ্রিড শক্তিশালীকরণ, শহুর অঞ্চলে ভবন নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেতু উন্নয়ন মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা শীর্ষক প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা হবে।