জ্বালানি তেলের ভর্তুকি সমন্বয় করা হয়েছে – এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, তেলের দাম কমানোর বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে তবে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ইঙ্গিত দিয়ে অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, জ্বালানি তেলে যে লোকসান (ক্ষতি) দেয়া হয়েছে, তা সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এখন দাম কমানোর বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল প্রতি ব্যারেলের দাম উঠেছিল ১২২ ডলার। সেই বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে ২০১৩ সালের ৪ জানুয়ারি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয় বাংলাদেশে। তখন পেট্রোল-অকটেন লিটার প্রতি ৫ টাকা ও ডিজেল কেরোসিনের দাম ৭ টাকা করে বাড়ানো হয়েছিল।
এরপরে তেলের দাম কমতে কমতে ৩৮ ডলারে নেমে আসে। তখন প্রথম দিকে বলা হয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি আগে লোকসান দিয়েছে। সেগুলো মিটিয়ে নিক। একই সঙ্গে মনিটরিংও হোক। যদি দাম কমেই থাকে তাহলে দেশেও দাম কমানো হবে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে দাম কম থাকার পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান অর্থমন্ত্রী।