হঠাৎ করেই অস্থির চাল-ডালের বাজার! গ্রামে-গঞ্জে শাকসবজির দাম তলানিতে নেমে আসলেও, রাজধানীতে দাম এখনো বেশ চড়া।
বস্তার খরচ বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে মিল মালিকরা প্রতি কেজিতে চালের দাম তিন থেকে চার টাকা বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে বেড়েছে সব ধরণের ডালের দামও।
চালের বাজার নিয়ে মিল মালিকদের কারসারজিতে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে কেজিতে তিন থেকে চার টাকা। সরকার চালের প্যাকেট হিসেবে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়ার পর, এটাকেই সবচেয়ে বড় অজুহাত হিসেবে দাড় করিয়েছে মিল মালিকরা।
খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রতি ৫০ কেজি চালের প্যাকেটে বস্তার খরচ বেড়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বিপরীতে মিল মালিকরা প্রতি বস্তা চালে দাম বাড়িয়েছেন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।
তবে স্থিতিশীল আছে, ভোজ্য তেল, গুড়া দুধসহ বেশিরভাগ মুদিপণ্যের দাম।
মাছে-ভাতে বাঙ্গালির খাদ্য তালিকায়, এখন মাছ আর ভাতেরই যেন সবচেয়ে বেশি আকাল।
চালের সঙ্গে যেন পাল্লা দিচ্ছে, ডিমের বাজারও। গত কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা।
দেশে সবজির সংকটের সময় যে দাম ছিল, তার চেয়ে দাম অনেক কমেছে। তবে তা এখনো যৌক্তিক পর্যায়ে নামেনি। কৃষকরা যে কাচা মরিচ বিক্রি করছেন ৮ থেকে ১০ টাকা কেজি, রাজধানীতে তা হয়ে যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। ৫/৬ টাকার আলু বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।
বাজারে মাছের সরবরাহ প্রচুর। তবে দামে তার কোন সুফল নেই।
ভোক্তরা মনে করছেন, মধ্যস্বত্তভোগীদের দৌরাত্ব কমাতে সরকারকে সময়পোযোগী পদক্ষেপ নেয়া উচিত। যাতে ভোক্তা-কৃষক উভয়ই লাভবান হবে।