বিশ্ববাজারে কমলেও দেশের বাজারে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে রসুন, মসুর ডাল ও চিনির। শুক্রবার রাজধানীতে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি রসুনের দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, মসুর ডাল ২০ টাকা এবং চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা।
এর জন্য খুচরা ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা দায়ী করছেন আমদানিকারক ও পাইকারদের সিন্ডিকেটকে। এদিকে, সরকারি হিসেবে খাদ্য মুল্যস্ফীতি কমলেও, বাজারে অব্যাহত রয়েছে চালের বাড়তি দাম। তবে শাক-সবজি ও ভোজ্যতেলের দাম স্থিতিশীল আছে।
সরকারি হিসেবে দেশে খাদ্য মুল্যস্ফীতি কমেছে। তবে খুচরা বাজারের চিত্র মিলছেনা সরকারি হিসেবের সঙ্গে।
কারণ মুল্যস্ফীতি বাড়া-কমার পেছনে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮০% প্রভাব থাকে চালের। বাজারে সেই চালেরই দাম বেড়েছে মানভেদে প্রতি কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা।
এদিকে রসুন, মুসরের ডাল আর চিনির চাহিদা পুরণে অনেকটাই নির্ভর করতে হয় আমদানির উপর।
গত প্রায় ৬/৭ বছর যাবৎ বিশ্ববাজারে এসব খাদ্যপণ্যের দাম ক্রমাগতভাবে কমলেও উল্টো ঘটেছে দেশের বাজারে। খুচরা ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের অভিযোগ, এসব পণ্য নিয়ে কারসাজি করছে বড়-ব্যবসায়ীরা।
বাজার ভরা সরবরাহ থাকলেও, সিন্ডিকেটের কারণে ক্রেতাদের নাগালের বাইরেই থাকছে মাছ।
ভোক্তারা হোচট খাচ্ছেন, মুরগীর বাজারে এসেও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগীর কেজিতে বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা।
তবে মন্দের ভাল শাকসবজির বাজার। প্রচুর সরবরাহ যেমন আছে, তেমনি দামও আছে স্থিতিশীল।