নিজেদের জন্য বরাদ্দ পাওয়া ২৫০০ একরের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা-ইপিজেডের পুরোটাতেই একবারে বিনিয়োগ করতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী তোয়ায়েল আহমেদ।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরীয় রাষ্ট্রদূত আন সিওং-দু। বৈঠক শেষে এ কথা জানান মন্ত্রী।
প্রাথমিকভাবে ৫০০ একর পরে পর্যায়ক্রমে বাকি অংশে বিনিয়োগ করার কথা বলছে সরকার। কেইপিজেড নিয়ে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়ায় কাজ আটকে থাকায় আজ বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরীয় রাষ্ট্রদূত। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর জোর দেন তিনি।
বিগত ১৯৯৬ সালে চট্টগ্রামে দক্ষিণ কোরিয়াকে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা গড়তে ২ হাজার ৫০০ একর জায়গা দেয় আওয়ামী লীগ সরকার।
পরবর্তীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে সেই কাজ আর এগোয়নি। এ নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া মামলা করলে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়, যা এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।
বর্তমানে মাত্র ২২টি কারখানা আছে এ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায়। সরকার প্রাথমিকভাবে ৫০০ একর জায়গায় বিনিয়োগ করে বাকি জায়গায় ধাপে ধাপে এগোতে বললেও কোরিয়া সরকার একবারে পুরো ২ হাজার ৫০০ একরেই বিনিয়োগ করতে চায়।
মূলত এ নিয়েই বৃহস্পতিবার বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার দপ্তরে বৈঠক করেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন তারা। মামলা নিষ্পত্তি শেষে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা দ্রুত চালু হওয়ার বিষয়ে আশা প্রকাশ করে দু'পক্ষই।
সেইসঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানিকৃত পণ্যের ধরণ বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রীকে আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।
এর জবাবে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, ওষুধ ও চামড়া আমদানি করার আহ্বান জানান তোফায়েল।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও সহযোগিতার বিষয়ে তারা একমত হন।