বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে হ্যাক করে টাকা লুটের দায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভকে নিতে হবে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, হ্যাক করে টাকা লুটের ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় নেই। ফেডারেল রিজার্ভ এর দায় না নিলে বাংলাদেশ আইনি ব্যবস্থা নেবে।
এরইমধ্যে এক টুইট বার্তায় ফেডারেল রির্জার্ভ এ দায় নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
এদিকে, হ্যাক করে লুট হওয়া অর্থের একাংশ এরই মধ্যে আদায় করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তবে ঠিক কত টাকা লুট হয়েছে এবং এর মধ্য কত টাকা আদায় করা সম্ভব হয়েছে, বারবার যোগাযোগ করেও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের স্থিতি থেকে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি হ্যাকাররা অর্থ লুট করে নেয়। ফিলিপাইনের দৈনিক দ্য ইনকোয়েরারের হিসেব মতে এর পরিমান প্রায় ৮'শ কোটি টাকা। প্রথম দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো কিছু না জানালেও, বিদেশি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর, এর সত্যতা স্বীকার করে নেয়।
তবে লুট হওয়া টাকার পরিমাণ কত, টাকা আদায়ে এবং রিজার্ভের সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এ বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য দেয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজী হননি তারা।
তবে সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছেন, লুট হওয়া অর্থের একাংশ আদায় করা সম্ভব হয়েছে। বাকি টাকা আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।