‘তদন্তের মুখ্য বিষয় ব্যাংকের রিজার্ভ সার্ভার হ্যাক করে ওই অর্থ কোথায় কোথায় গেল? কি হয়েছে? কে এটার বেনিফেসারি? এই জিনিসগুলোর সঠিক তথ্য তদন্তে বেরিয়ে আসলেই আমরা সবাইকে জানাতে পারবো’ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান।
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ডেপুটি গভর্নর বলেন, নিউইয়র্ক ভিত্তিক ফেডারেল রিজার্ভ আগেই জানিয়েছে, তাদের দিক থেকে কোন রকম হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
খোয়া যাওয়া অর্থের মধ্যে ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনে এবং ২০ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কায় আছে—উল্লেখ করে আবু হেনা আরো বলেন,আইনি প্রক্রিয়ায় এসব অর্থ আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এদিকে, ম্যালওয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভার হ্যাক করে, হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ লুট করেছে। এ ক্ষেত্রে কিভাবে ম্যালওয়ার বাংলাদেশ সার্ভারে প্রবেশ করেছে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা।
দেশটিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।
তানভীর হাসান বলেন, ভিতরের কারও সংশ্লিষ্টতা না থাকলে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে প্রবেশ করা খুব কঠিন।
তবে প্রাথমিকভাবে তিনি মনে করছেন, হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোড ব্যবহার হয়ে থাকতে পারে— ম্যালওয়ারের মাধ্যমে লোকার সার্ভারে প্রবেশ করে হ্যাকাররা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।